ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ জুন ২০২৪ ||  আষাঢ় ৫ ১৪৩১

আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করি : মুনা তাসনিম

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করি : মুনা তাসনিম

আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করি : মুনা তাসনিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম বলেছেন, ‘আমরা (বাংলাদেশ) অভিন্ন মূল্যবোধ অনুসরণ করে ধর্মনিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করি। আমাদের লড়াইটা ধর্মনিরপেক্ষ ও সাম্প্রদায়িক শক্তির মধ্যে। যুক্তরাজ্যের কাছে আমার বার্তা হলো- আপনি কোনটি বেছে নেবেন? অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষতা।’

স্টাডি সার্কেল লন্ডন আয়োজিত ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন। যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় সোমবার অনুষ্ঠিত এই সভায় দুই দেশের রাজনীতিবিদসহ কূটনীতিক ও স্থানীয় নেতারা অংশ নেন। হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম আলোচনায় যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্কের ওপর জোর দেন। নয়াদিল্লিতে জি২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের মধ্যে বৈঠক ও উষ্ণ মুহূর্তের কথা উল্লেখ করা হয়। হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, ‘সাম্প্রতিক এয়ারবাস চুক্তিটি যুক্তরাজ্যের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। কারণ, এয়ারবাসগুলো ব্রিটিশ রোলস রয়েস ইঞ্জিন দিয়ে সজ্জিত।’ 

বক্তাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, কিংসক্লেরের লর্ড ড্যানিয়েল হান্নান, সংসদ সদস্য মার্টিন ডে প্রমুখ।

ড্যানিয়েল হান্নান বাংলাদেশকে ‘আত্মার বন্ধু’ আখ্যা দেন। সভায় তিনি বাংলাদেশকে দেওয়া যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুবিধাদি নিয়ে কথা বলেন। 

বক্তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধর্মনিরপেক্ষ দেশের স্বপ্ন ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেওয়া পদক্ষেপের ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর জন্য দেশের কিছু ইসলামী গোষ্ঠীর প্রচেষ্টার কারণে এই সম্প্রীতি হুমকির সম্মুখীন হয়েছিল এবং আমাদের সতর্ক থাকার প্রয়োজন ছিল। 

প্রধান বক্তা ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘যখন সুবিধাবাদী বিদেশি শক্তি চরমপন্থাকে মূলধারায় নিয়ে আসে, তখন তা আমাদের গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলে। আসুন গণতন্ত্রের মৃত্যু ঠেকাতে হাত মেলাই। বাংলাদেশের জনগণকে জানান যে, আমি দেশে ফিরে বলব- যুক্তরাজ্য আমাদের সঙ্গে আছে এবং আমাদের পাশে আছে।’

গওহর রিজভী বলেন, ‘আমি মনে করিয়ে দিতে চাই যে, এখনো আমাদের ওপর চাপ রয়েছে। কিন্তু আমরা গণতন্ত্র ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য টিমোথি লোউটন ও ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনেক সংসদ সদস্য এই অনুষ্ঠানকে সমর্থন করে শুভেচ্ছা পাঠান।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়