ঢাকা, শুক্রবার   ২১ জুন ২০২৪ ||  আষাঢ় ৮ ১৪৩১

বান্দরবানে শান্তির অন্তরায় কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের সন্ত্রাসীরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:০৫, ৯ জুন ২০২৪  

বান্দরবানে শান্তির অন্তরায় কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের সন্ত্রাসীরা

বান্দরবানে শান্তির অন্তরায় কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের সন্ত্রাসীরা

বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতিতে জড়িত কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সামরিক শাখায় চার শতাধিক সদস্য রয়েছে। এসএমজি, চায়নিজ রাইফেল, একে-৪৭, বার্মিজ একনলা বন্দুকসহ তাদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে তিন শর বেশি। পার্বত্য চট্টগ্রামের রুমা, থানচি, রোয়াংছড়িসহ গহিন অরণ্যে তাদের বিচরণ। রাঙামাটির বিলাইছড়ির পাশাপাশি মিয়ানমার ও ভারতের মিজোরাম সীমান্তবর্তী এলাকায় রয়েছে তাদের শক্ত ঘাঁটি।তাদের সঙ্গে সমতলের নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বিয়ার সম্পর্ক রয়েছে। এই জঙ্গিদের সাথে নিয়ে চাঁদাবাজি, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এই সন্ত্রাসীরা। এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পাহাড়ের নিরীহ মানুষ।

দেশের তিন পার্বত্য জেলায় আতঙ্কের নাম—‘কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট’ বা (কেএনএফ)। সম্প্রতি বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকের তিনটি ব্রাঞ্চে নজিরবিহীন ডাকাতির ঘটনা ঘটায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটি। এরপর থেকেই কেএনএফকে নিয়ে পাহাড়ে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সরকার-সেনাবাহিনীর চেষ্টায় বান্দরবানে ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। তিন পাহাড়ি জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শান্তিতে ছিলেন বান্দরবানবাসী। সাম্প্রতিক সময়ে কেএনএফের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে জেলার রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়িতে থমকে আছে সব উন্নয়ন কাজ।

তাই স্থানীয়রা মনে করেন, কেএনএফ-এর সঙ্গে আর শান্তি আলোচনার কোনো মানে হয় না। তারা শান্তি আলোচনার সব শর্ত ভঙ্গ করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শান্তি আলোচনা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম একসঙ্গে চলতে পারে না। এখন সময় এসেছে কেএনএফকে শক্ত হাতে দমন করার।

আরও পড়ুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়