ঢাকা, রোববার   ১৪ জুলাই ২০২৪ ||  আষাঢ় ২৯ ১৪৩১

একবছরে ১২ হাজার কনটেন্ট অপসারণ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:১০, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে গত একবছরে ১২ হাজার হয়রানিমূলক কনটেন্ট অপসারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি) ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও টুইটার তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে কনটেন্টগুলো অপসারণ করে।

দেশে এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটিরও বেশি। তাদের বেশিরভাগই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা কনটেন্ট আপলোড ও শেয়ার করে থাকেন।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে হয়রানিমূলক ও অশ্লীল কনটেন্ট প্রতিনিয়তই বাড়ছে। সেই কারণেই বাড়ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কাছে উসকানিমূলক অনুরোধের সংখ্যাও, এমনটাই দাবি করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

তিনি বলেন, ফেসবুকসহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অপপ্রচার, গুজব রটনা এবং ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কিছুই যাতে না থাকে তার প্রতি সতর্ক থাকতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘ফেসবুকে কেউ একটি পোস্ট দিয়েছেন। আমরা ইচ্ছা করলেই ফেসবুক বন্ধ করে দিতে পারি না। অথবা ইউটিউবে কেউ একটি ভিডিও ছেড়েছেন। পুরো ইউটিউব আমরা বন্ধ করে দিতে পারি না। এটি পৃথিবীর কোনো দেশই পারে না।’

বিটিআরসি তথ্য, ২০২১সালে ২৬ হাজারের বেশি কনটেন্ট অপসারণ অনুরোধের ৮ হাজারই রাখে ফেসবুক। গত বছর অনুরোধ বেড়ে ৩১ হাজার ৮০০-তে দাঁড়ায়, এর মধ্যে ১০ হাজারের বেশি কনটেন্ট সরিয়ে নেয় ফেসবুক।

এছাড়া, ২০২১ সালে ভিডিও স্ট্রিমিং সাইট ইউটিউব, টিকটক, বিগো ও লাইকি এবং মাইক্রোব্লগ সাইট টুইটার, ওটিটি ইমোর কাছে দুই হাজারের বেশি কনটেন্ট অপসারণ অনুরোধের এক হাজার ১৮টি রাখে তারা। গত বছর করা ৬ হাজারের বেশি অনুরোধের দেড় হাজারই রক্ষা করে এসব প্ল্যাটফর্ম।

হয়রানি ও অশ্লীলতার অভিযোগে গত বছর এক হাজার ৫৭টি ওয়েবসাইটও বন্ধ করে সরকার।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়